নাঙ্গলকোট বাঙ্গড্ডায় সিএনজি শ্রমিক মৃত মফিজ মিয়ার পরিবারকে চেক প্রদান

কুমিল্লা

নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা গ্রামে সিএনজি ড্রাইভার মফিজ মিয়ার অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারের হাতে মৃত্যু ফান্ড প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা সিএনজি রেজি: নং ১৫৬৯ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে নিহত পরিবারকে এই চেক প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বাঙ্গড্ডা শাখা কার্যালয়ের সভাপতি বাহার এর সভাপতিত্বে যুক্তিখোলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের বলেন, মহাসড়কে সিএনজি চলাচল নিষেধাজ্ঞার পর আমাদের আর্থিক দুর অবস্থা হলেও ড্রাইভার মফিজকে আমরা সহায়তা করতে পেরেছি তবুও আমরা আনন্দিত। কিন্ত একটি মহল মিথ্যা ভাবে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে আমরা নাকি তাদের ধ্বংশ করে দিয়েছি। এখন তারা সিএনজিকে ধ্বংশ করবে বলে হুমকি প্রদর্শন করছে। তাহা সফল হইতে দেয়া হবে না।

প্রয়োজনে চার চাকার লেগুনা সার্ভিস সিএনজি ড্রাইভারদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের মাধ্যমে কুমিল্লা থেকে বাঙ্গড্ডা পর্যন্ত সার্ভিস চালু করা হইবে এবং তাদের হুমকির জবাব দেয়া হইবে। এসময় যুক্তিখোলা, গৈয়ারভাঙ্গা, ভূশ্চি ও বাগমারা শাখার সভাপতি ও সহ-সভাপতি এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা রেজি: ১৫৬৯ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমকে লেগুনা সার্ভিস দেয়ার বিষয়ে অনুরোধ জানান। এসময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোঃ আলম তার বক্তব্যে বলেন, কোন সংঘাত নয়, শান্তি শৃংখলার মাধ্যমে সব কিছুর সমাধান হবে। আমরা বিগত দিনে ওই রোডে বাস মালিকদের সাথে মিটিং করে প্রতি ২০ মিনিট পর পর বাস সার্ভিস দিবে বলে প্রতিশ্রুতি ছিল।

যা এর ফাঁকে ফাঁকে সিএনজি গুলো চলাচল করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করবে। যা বিগত দিনে নেতারা আমাদের আশ্বস্ত করেছিল। কিন্ত তারা আমাদের শ্রমিকদের আশ্বস্ত দেয়া কোন কথাই রাখেনি। আগামী ১লা ফেব্রুয়ারী থেকে বিষয়টি নিয়ে কোন সুরাহ না হয়, তাহলে উক্তরোডে বৈধ ও পারমিটকৃত চার চাকার লেগুনা গাড়ী সার্ভিস দেয়া হবে। তিনি আরো বলেন যদি ২০মিনিট পর পর ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয় এবং বাস্তবায়ন হয় তাহলে চার চাকার কোন গাড়ী এই রোডে সার্ভিস দেয়া হবে না।

রিজিকের মালিক আল্লাহ, কেউ যদি কারো রিজিকের উপর আঘাত করে, তাহলে আল্লাহ তাহাকে ছাড় দিবে না। এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৯২ সাল থেকে সংগঠনের সকল শ্রমিকদের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে ১৫৬৯ এর জেলা ও শাখা কমিটি। শ্রমিকদের ন্যায্য প্রাপ্য, চিকিৎসা ভাতা, পেনশন, মৃত্যু ফান্ড ও সামাজিক কর্মকান্ডে অবদান রেখে আসছে। যে সকল শ্রমিকগণ সংগঠনের কার্ডধারী ও নিয়মিত সদস্যপদ নবায়ন করেছে, তাদের সুখেঃ দুঃখে ১৫৬৯ সংগঠন কাজ করে যাবে। অতিতে সংগঠন শ্রমিকদের পাশে থেকে যে ভাবে কাজ করেছে, আগামীতেও তাদের পাশে থেকে কাজ করে যাবে।