মতলব উত্তরে ১০ টাকা কেজি ওএমএস’ এর চাল বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন

চাঁদপুর

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যার কারনে সেই “১০ টাকা কেজি চাল” আজ আর স্বপ্ন নয় বাস্তব! দারিদ্রতা দূরীকরণ ও ৭১ এর রাজাকারদের বিচার’সহ আরো অনেক প্রগতিশীল উন্নায়নমূলক প্রকল্প যার বাস্তবায়ন আমরা একে একে চোখের সামনেই দেখছি। আসলেই আমরা প্রচন্ড রকমের আত্মবিশ্বাসী এক জাতি যার প্রমান এবং স্বাক্ষর আমরা সেই ৭১ থেকেই রেখে আসছি।
সোমবার সকালে মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের ইসলামিয়া মার্কেটে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আজ বাস্তবেই ৫০ লক্ষ মানুষকে ১০ টাকা কেজি ধরে চাল খাওয়ার ব্যাবস্থা করে দি য়েছেন যা অভুতপূর্ব। আবারও মনে করিয়ে দেয়, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য যার বাস্তবাস্তনেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিটি ইউনিট সারা বাংলাদেশে একযোগে কাজ করছে। ওএমএস মূলত সীমিত আয়ের মানুষের জন্য একটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি। নি¤œ আয়ের ওপর নিত্য ব্যয়ের বোঝা খানিকটা লাঘবের এ প্রচেষ্টায় বিপুল অর্থ ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার।
মনজুর আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ যখনই নির্বাচিত হয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে তখনই জনগণ বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করেছে। আমাদের সরকারের দারিদ্র্যবান্ধব কর্মসূচি প্রান্তিক জনগণের জন্য নিবেদিত। দেশের সব মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমাদের অন্যতম কর্মসূচি হিসেবে সারা দেশে ইউনিয়ন ও গ্রামপর্যায়ে গ্রামীণ জনপদের অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য প্রতি কেজি ১০ টাকা করে কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যশস্য বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ, প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল হালিম সরকার, মো. সালাউদ্দিন, ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাবু সরকার, ইউপি সদস্য মাহবুব আলম মিষ্টার, জাকির হোসেন, মহিলা মেম্বার তফুরা আক্তার, ডিলার মো. শাহজালাল, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তাহসিন।
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পর এবার প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ আর এ লক্ষ্যেই চালু হলো হতদরিদ্রদের জন্য ‘খাদ্যবান্ধব’ কর্মসূচী। পল্লী রেশনিং কার্ডধারীদের বছরে ৫ মাস দেওয়া হবে এ খাদ্য সহায়তা।