চাঁদপুর-২ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে কর্মীবান্ধব দিপু চৌধুরী

চাঁদপুর

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) নির্বাচনী এলাকা থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপুকে চায় তৃৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ইতিমধ্যে তৃৃণমূলের নেতাকর্মীরা দিপু চৌধুরীর সমর্থনে নির্বাচনী এলাকায় পোষ্টার, ব্যানার, ফেষ্টুন, উঠান বৈঠক, সভা-সেমিনারসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ও দলীয় ব্যানারে কাজ করছেন, উপজেলা থেকে শুরু করে পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে, গ্রামে-গঞ্জে দিপু চৌধুরীর পক্ষে সালাম জানিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নৌকা মার্কায় ভোট চাচ্ছেন তৃৃণমূলের নেতাকর্মীরা। দিপু চৌধুরী দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কাজ করছেন, এলাকার উন্নয়নসহ দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য। নির্বাচনী এলাকার মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ও পৌরসভায় উন্নয়ন ও জন সমর্থনে দিপু চৌধুরী এগিয়ে রয়েছেন। কথা হয় নির্বাচনী এলাকার তৃণমূলের নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম সরকার ইমন জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপি মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণে যে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন, সে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য তাঁর সুযোগ্য উত্তরসুরী সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু ভাইকে আগামী নির্বাচনে অবশ্যই প্রয়োজন। ইতিমধ্যে আমরা দেখেছি বিগত বছরগুলোতে বাবার পাশে থেকে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণে প্রত্যেকটি উন্নয়নমূলক কাজে আন্তরিক সহযোগিতা করেছেন। শুধু তাই নয়, দলকে সু-সংগঠিত করার জন্য বিশেষ করে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের ব্যাপক দায়িত্ব হাতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। অতএব, আমি মনে করি এ আসনে দিপু ভাইয়ের কোন বিকল্প নেই। তাই আগামী নির্বাচনে দিপু ভাইকে আমরা এমপি হিসেবে পেতে চাই। ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ জানান, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসন থেকে সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু ভাইকে এমপি হিসেবে পেতে চাই। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান হিসেবে পিতার উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে দিপু ভাইয়ের কোন বিকল্প নেই। ইতিমধ্যে তিনি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ দলীয় তৃৃণমূলের নেতৃবৃন্দের খোঁজ-খবর ও সুখ-দুঃখের খবর নিচ্ছেন। তাই আগামী নির্বাচনে চাঁদপুর -২ আসনটি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে হলে মায়া ভাইয়ের উত্তরসুরী দিপু ভাইয়ের কোন বিকল্প নেই। ষাটনল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম শরীফ উল্ল্যাহ সরকার জানান, আগামী নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসন থেকে মায়া ভাইয়ের কোন বিকল্প নেই। মায়া ভাইয়ের উত্তরসুরী হিসেবে তাঁর স্থলাভিত্তিক সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু ভাইকে আমরা এমপি হিসেবে পেতে চাই। আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি নেতাকর্মীর সুখ-দুঃখের সাথী মায়া ভাই ও দিপু ভাই। মায়া চৌধুরী অথবা দিপু চৌধুরী চাঁদপুর-২ আসনে নৌকা প্রতীকে মনোনীত হলেই এ আসন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ। মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপি যে উন্নয়ন করেছে, সে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে চাঁদপুর-২ আসনটি উপহার দিতে হলে দিপু ভাইয়ের প্রয়োজন। আমরা তৃণমূলের নেতা হিসেবে মায়া ভাই ও তাঁর উত্তরসুরী দিপু চৌধুরী কাছে মূল্যায়িত হয়েছি। এ আসনে দিপু ভাইয়ের বিকল্প কেউ নেই। আ’লীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমান জানান, মতলবের মাটি ও মানুষের নেতা সফল মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপির উত্তরসুরী সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপুকে আমরা চাঁদপুর-২ আসন থেকে এমপি হিসেবে পেতে চাই। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান হিসেবে দিপু চৌধুরীর কোন বিকল্প নেই। মতলব উত্তর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী শরীফ জানান, আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা দিপু ভাইকে এমপি হিসেবে পেতে চাই। মতলব উত্তর উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র দাস জানান, চাঁদপুর-২ নির্বাচনী এলাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপি অনেক উন্নয়ন করেছেন। বিশেষ করে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণের বিভিন্ন মন্দিরগুলোর ব্যাপক উন্নয়নসহ পর্যাপ্ত অনুদান প্রদান করেছেন। আমাদের এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মন্ত্রী মহোদয়ের উত্তরসুরী সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপুর কোন বিকল্প নেই। আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ মতলব উত্তরে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করছি। এ সাফল্য ও সার্বিক সহযোগিতা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপি ও তাঁর সুযোগ্য পুত্র সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু। এ জন্য আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আগামী নির্বাচনে মায়া ভাইয়ের স্থলাভিত্তিতে দিপু ভাইয়ের কোন বিকল্প নেই। আমরা দিপু ভাইকে এমপি হিসেবে পেতে চাই। মতলব উত্তর উপজেলা ছাত্রলীগের আহŸায়ক মিনহাজ উদ্দিন খান জানান, চাঁদপুর-২ আসন থেকে সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপুকে মনোনয়ন দিলে এ আসনটি উদ্ধার করা সম্ভব। কারণ দিপু চৌধুরীর তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে সম্পর্ক রয়েছে। পিতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপির আদর্শকে লালন করে, তাঁর উত্তরসুরী হিসেবে দিপু চৌধুরী জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। কলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছোবহান সরকার শুভা জানান, চাঁদপুর-২ আসনে মায়া ভাই ও দিপু ভাইয়ের কোন বিকল্প নেই। দলীয়ভাবে তৃণমূলে তারাই এগিয়ে আছেন। বর্তমান সরকারের সফল মন্ত্রী হিসেবে মায়া ভাইয়ের অবদান ও উন্নয়ন অতুলনীয়। যোগ্য পিতার উত্তরসুরী সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপুকে এ আসন থেকে মনোনয়ন দিলে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেওয়া সম্ভব। ছেংগারচর পৌরসভার প্যানেল মেয়র হাজী রুহুল আমিন মোল্লা জানান, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা দিপু চৌধুরীকে এমপি হিসেবে পেতে চাই। দিপু চৌধুরীর বিকল্প এই আসনে কেউ নাই। দিপু চৌধুরীর সাথে এলাকার উন্নয়ন জড়িত রয়েছে। মতলব উত্তর উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও নাওভাঙ্গা জয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য রাসেল মাহমুদ জানান, আমাদের চাঁদপুর-২ নির্বাচনী এলাকায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মায়া ভাইয়ের উত্তরসুরী সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু ভাইকে চাই। দিপু ভাই এমপি হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এই আসনটি উপহার দিতে হলে দিপু ভাইয়ের কোন বিকল্প নেই। আমরা আগামী নির্বাচনে দিপু ভাইকে এমপি হিসেবে পেতে চাই।