১৫ আগস্টের ঘাতকরা এখনো সক্রিয়- মায়া

চাঁদপুর

দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপি বলেছেন, ১৫ আগস্টের ঘাতকরা এখনো সক্রিয়। ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ আমরা অনেককে হারিয়েছি। তারপর আমাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ ২১ বছর। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়তে দেখেছি। ১৫ আগস্টের পর বিদেশিরা আমাদের প্রশ্ন করেছিল- তোমার কেমন জাতি যে তোমরা জাতির পিতাকে হত্যা করো?
বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা মজবুত অবস্থান সৃষ্টি করতে পেরেছেন। তার নেতৃত্বে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
আগামী ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালনের লক্ষে শনিবার বিকেলে মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুরস্থ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রীর নিজ বাস ভবনে প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আমাদের এই প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশই পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো। আমরা সে কথা ভূলে যায়নি। আজ দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে। খাদ্য ঘাটতির বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের দেশ আজ শান্তি-শৃঙ্খল এবং নিরাপত্তার বাংলাদেশ।
এন্ত্রী আরো বলেন, বিগত সব সংসদ নির্বাচনের চাইতেও আগামী সংসদ নির্বাচন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সব নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীকে পুনরায় নির্বাচিত করে দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি আগামী সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর জেলার সব কয়টা আসন প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেয়ার কথা উল্লেখ করেন ত্রাণ মন্ত্রী।

মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাড. রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ কুদ্দুসের সঞ্চালনায় আরোও বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আ’লীগ নেতা সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জাতীয় পরিষদ সদস্য রিয়াজ উদ্দিন মানিক, মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ, মতলব দক্ষিণ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিরাজুল মোস্তফা তালুকদার, ছেংগারচর পৌরসভা মেয়র আলহাজ্ব রফিকুল আলম জজ, মতলব দক্ষিন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ.এইচ.এম গিয়াস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক বিএইচ কবির আহমেদ, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শহীদ উল্যাহ প্রধান, সিরাজুল ইসলাম লস্কর, গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান প্রধান, গাজী ইলিয়াছুর রহমান, মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম সরকার ইমন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফা আক্তার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শওকত আলী বাদল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ল²ী রানী দাস তারা, মতলব উত্তর যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান জহির, সাধারণ সম্পাদক কাজী শরিফ, মতলব দক্ষিণ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক জহিরুল ইসলাম সরকার, যুগ্ম আহবায়ক জহিরুল ইসলাম আলেক, মতলব উত্তর উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আবু সালেহ মোঃ খুরশিদ আলম, সাধারণ সম্পাদক জিএম ফারুক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম ডাবলু, সদস্য সচিব অ্যাড. আক্তারুজ্জামান, মতলব উত্তর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ও জেলা পরিষদ সদস্য মিনহাজ উদ্দিন খান, যুগ্ম আহবায়ক তামজীদ সরকার রিয়াদ, মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ও জেলা পরিষদ সদস্য আল আমিন ফরাজী প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাগানবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নান্নু মিয়া, এখলাছপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মোসাদ্দেক হোসেন মুরাদ, গজরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হানিফ দর্জি, ফতেপুর পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী, ফতেপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ, দূর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান আবুল খায়ের, সুলতানাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মনজুর মোর্শেদ স্বপন, কলাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান সোবহান সরকার শুভা, বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।