নোয়াখালীতে স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ‘আটকে দলবেঁধে ধর্ষণ’-গ্রেপ্তার ২

ধর্ষন

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় স্বামী পরিত্যক্তা দুই সন্তানের জননীকে আটকে রেখে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

বুধবার মধ্যরাতে বারগাঁও ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রাম থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় চারজনের নামে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিরা হলেন আমিনুল ইসলাম মিন্টু (৩২), নিজাম উদ্দিন বাচ্চু (৪২), নুরনবী তারেক (২৮) ও আলাউদ্দিন (৩২)।

এদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম মিন্টু ও নিজাম উদ্দিন বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার ওই নারী নাটেশ্বর ইউনিয়নের পূর্ব নাটেশ্বর গ্রামে বাবার বাড়িতে থাকেন।

তার স্বজনরা জানান, তিনি গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাগ করে বাড়ি থেকে এক আত্মীয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন। এরপর রাতে বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে বুধবার সকালে সোনাইমুড়ি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খিসা জানান, পুলিশ অভিযান চালিয়ে দৌলতপুর গ্রামের একটি পুকুর পাড় থেকে বুধবার মধ্যরাতে তাকে উদ্ধার করে। তাকে প্রথমে সোনাইমুড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

“তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।”

দীপক জ্যোতি আরও জানান, এ ঘটনায় নির্যাতিতার বাবা বাদী হয়ে চার জনের নাম উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার সোনাইমুড়ি থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

“মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নারী শারীরিক ও মাসনিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।