আ.লীগ নেতা ফরহাদ হত্যা মামলার আরেক আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

অপরাধ

রাজধানীর ভাটারায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে, যাকে আওয়ামী লীগ নেতা ফরহাদ হোসেন হত্যায় সন্দেহভাজন বলছে পুলিশ।

বুধবার ভোরে পূর্ব সাতারকুলে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) ক্যাম্পাসের কাছে একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযানের সময় এঘটনা ঘটে বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মশিউর রহমান জানিয়েছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, নিহত রমজানের (৩৬) বিরুদ্ধে ফরহাদ হত্যা ছাড়াও হত্যা, চাঁদাবাজির অভিযোগে ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
মশিউর বলেন, ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার’ খবর পেয়ে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ইউআইইউ ক্যাম্পাসের দক্ষিণে ও প্রজাপতি গার্ডেনের পুবে একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযানে গিয়ে গুলির মুখে পড়লে তারাও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে।

“পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার পাশে একটি পিস্তল ও ইয়াবা পড়ে ছিল। পরে স্থানীয়রা এসে মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে। রমজান গুলশান, বাড্ডা, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সন্ত্রাসী আশিক ও মেহেদী গ্রুপের সক্রিয় সদস্য ছিল।”

গত বছরের ১৫ জুন দুপুরে জুমার নামাজের পর উত্তর বাড্ডার আলীর মোড়ের কাছে বায়তুস সালাম জামে মসজিদের সামনে বাড্ডা ইউনিয়ন (এখন সিটি করপোরেশনের অধীন) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

ওই বছরের ৫ জুলাই প্রায় একই জায়গায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নুরুল ইসলাম সানি (২৮) ও অমিত (৩৫) নামে দুজন নিহত হন, ফরহাদ হত্যায় সন্দেহভাজন বলে তখন পুলিশ কর্মকর্তা মশিউর জানান।