মনোহরগঞ্জে স্বাস্থ্য সহকারীদের ৫ম দিনের কর্মরিবতি পালন

মঙ্গলবার ডিসেম্বর ১, ২০২০ ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
লেখাটি এই যাবৎ ১০ বার পঠিত হয়েছে

নিয়োগবিধি সংশোধন, বেতন বৈষম্য নিরসন এবং টেকনিক্যাল পদমর্যদা প্রদানের দাবিতে মঙ্গলবার ৫ম দিনের মত কর্মবিরতি পালন করেছে বাংলাদেশ হেল্থ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন মনোহরগঞ্জ উপজেলা শাখা। গত বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) থেকে তারা এ অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং স্বাস্থ্য সহকারীবৃন্দ যৌথভাবে এ কর্মবিরতি পালন করেন। এসময় বাংলাদেশ হেল্থ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন মনোহরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি নাইয়ারে দো আলম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শহীদ উল্ল্যাহ, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, মহিলা সম্পাদিকা শ্রিপা রানী মজুমদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ হেল্থ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন মনোহরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি নাইয়ারে দো আলম বলেন, ১৯৭৯ সাল থেকে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) মাধ্যমে স্বাস্থ্য সহকারীগণ ১০টি মারাত্মক সংক্রমিত রোগের (শিশুদের যক্ষা, পোলিও, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি, ডিপথেরিয়া, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া ও হামে-রুবেলা) টিকা প্রদান করেন। কিন্তু স্বাস্থ্য সহকারীদের টেকনিক্যাল পদমর্যদা প্রদান করা হচ্ছে না। এছাড়া মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে অত্যন্ত ঝুকি নিয়ে স্বাস্থ্য সহকারীগণ শিশুদের টিকা প্রদানসহ বিদেশ ফেরত জনসাধারণের তথ্যাদি সংগ্রহ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন এবং বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার অনুরোধ জানিয়ে মাঠে কাজ করেন। এসব ঝুকি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে সারাদেশে কমপক্ষে ৮ শতাদিক স্বাস্থ্য সহকারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং অনেকে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সহকারীগণ এখনো অবহেলিত রয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৮ সালে স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহাকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং স্বাস্থ্য সহকারীদের এক সমাবেশে বেতন বৈষম্য নিরসনের ঘোষণা দেন। এছাড়া ২০১৮ সালে তৎকালিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাদের দাবি মেনে নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হলেও অদ্যবধি এর কোনো কার্যকারিতা নেই। তিনি অনতিবিলম্বে দাবিগুলো মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় এ কর্মবিরতি অনির্দিষ্টকাল ধরে চলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে একযোগে কুমিল্লার ১৭টি উপজেলায় কর্মবিরতি কর্মসূচি চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ হেল্থ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রাজিব হোসাইন ও সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ফয়েজ আহমেদ।

ডেস্ক / এমজিজে / ২০২০ / ১২০১
লাকসাম মুক্ত দিবসে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা

১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর পাক হানাদার মুক্ত হয় কুমিল্লা জেলার বৃহত্তর লাকসাম। প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা [বিস্তারিত]

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গচুরের প্রতিবাদে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছা সেবকলীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গচুর, মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল, প্রিতিবাদ সমাবেশ ও বঙ্গবন্ধুর [বিস্তারিত]

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর কুমিল্লা আঞ্চলিক শাখার উদ্যোগে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে ৭২তম ‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ পালন করেছে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর কুমিল্লা আঞ্চলিক শাখা। [বিস্তারিত]

জাতির পিতার ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে লাকসামে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভাংচুর, জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে লাকসাম উপজেলা ও [বিস্তারিত]

মতামত জানান