এই পচন রোধ করতে হবে

মঙ্গলবার এপ্রিল ১৬, ২০১৯ ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
লেখাটি এই যাবৎ ২ বার পঠিত হয়েছে

মানসিক রোগী আর যৌন বিকারগ্রস্ত লোকেরা শিক্ষকতা করার অযোগ্য৷ এদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রকাশ করুন৷ সরকার এই কাজ করবে না, বিকৃত মানসিকতার এই পিশাচগুলোর পেছনে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর জড়িত আছে৷

আবাসিক মাদরাসা ও স্কুলগুলো বন্ধ করে দিতে হবে৷ এইসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক আর বয়োজ্যেষ্ঠ ছাত্ররা কনিষ্ঠদের উপর যৌননিপীড়ন চালায়৷ কলেজ পর্যায়ের পূর্বে কোন আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়৷

কাওমী মাদরাসাগুলোতে ছাত্রদের উপর কেমন নির্যাতন হয়, আমি তার প্রত্যক্ষদর্শী৷ পাঠে অমনোযোগের জন্য যেমন নির্যাতন করা হয়, তেমনি শিক্ষকদের রুচির সাথে খাপ খেতে না পারলেও নির্যাতনের শিকার হতে হয়৷

আমি সব কাওমী মাদরাসা বা সব শিক্ষকের কথা বলছি না৷ আমি দেখেছি, সৎ অসৎ প্রায় সব শিক্ষকই ছাত্রদের কাছে সেবায়েতের মতো আচরণ কামনা করে৷ যৌন নিপীড়ন সকলে হয়তো করে না, কিন্তু সকলেই হাত-পা টিপাতে বাধ্য করে ছাত্রদের৷

সামগ্রিক শিক্ষা-ব্যবস্থার সংস্কারের সময় এসেছে৷ সরকারকে এই জন্য দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে৷ শুধু ভোটের রাজনীতি করলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভ হতে পারে, কিন্তু জাতির পচন রোধ করা সম্ভব হবে না৷

মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধান দিয়ে জাতিগঠিত হয় না, জাতিগঠন করে সাধারণ মানুষ৷ প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ অবস্থানে সৎ হলে জাতিগঠন দূরহ কিছু নয়৷ আমি এবং আমরা সৎ হলে কোন অসৎলোক আমাদের শাসন করার ক্ষমতা লাভ করবে না, কোন অসৎলোক আমাদের নেতা হবে না৷

প্রবাসে থাকি৷ অনেক আশায় বুক বেঁধে দেশে যাই৷ দেশ, দেশের মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকে মনে৷ বিমানবন্দর হতে ঘরে ফেরা পর্যন্ত দেশবাসীর আচরণ, যা কয়দিন দেশে থাকি, মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন, শিক্ষক, রিক্সাওয়ালা, সবজিওয়ালা, মুদি, মোটকথা প্রতিটি মানুষকে দেখে অন্যকে ঠকানোর ফাঁদ পেতে বসে থাকে৷ অসততা এমন একপর্যায়ে পৌঁছেছে, সততা আর অসততার পার্থক্য এখন কেউ বুঝে না৷ সবাই শুধু লাভবান হতে মশগুল৷

কয়েক বছর আগে এক পরিচিত লোকের ছেলের জন্য এক বন্ধুকে বলেছিলাম৷ বন্ধুর প্রতিষ্ঠানে যেন ছেলেটিকে একটা কাজ দেয়৷ বন্ধুটি রাজি হয়েছিল৷ মোটামুটি ভালো বেতনও অফার করেছিল৷ পরিচিত লোকটিকে বলার পর তিনি জানতে চাইলেন, এক্সট্রা কোন ইনকামের ব্যবস্থা নেই? আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম৷ বেতনের কথা জানতে না চেয়ে এক্সট্রা ইনকামের কথা আগে জানতে চায়৷

বিশ্বাস করুন, আমরা যারা প্রবাসে আছি৷ দেশে থাকা লোকেদের অনেকের চেয়ে আমাদের ইনকাম অনেক বেশি৷ এই কথা আপনারা ভালোই জানেন৷ যেটা জানেন না, তাহলো, ডিউটি টাইমের প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগানোর পর আমরা বেতন আশা করতে পারি৷ ঘণ্টা বা প্রোডাকশন হিসেবে কাজ করলেও হিসাব বরাবর না হলে ডিউটিপূর্ণ হয় না৷ এই রকম পরিশ্রম দেশে করলে দেশের উন্নয়ন পিছিয়ে থাকতো না৷

ছাত্ররা রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি করে যে সময় নষ্ট করে, সে সময়ের অর্ধেকও যদি নিজেকে গড়ে তোলার কাজ করতো, আমরা পিছিয়ে থাকতাম না৷

অনেক প্রবাসী ভাই আছেন, ইনকাম ভালো করেন বলেই হয়তো গাঁয়ের স্কুলটিকে নিজের সন্তানের জন্য উপযুক্ত মনে করেন না৷ শহরে স্কুলে ভর্তি করিয়ে মাসে যে পরিমাণ টাকা স্কুল, টিউশনি, কোচিঙের পেছনে খরচ করে, তার অর্ধেক টাকা খরচ করলে গ্রামের স্কুলটিও হতে পারতো দেশের অন্যতম সেরা স্কুল৷

নতুন করে ভাববার সময় এসেছে, নতুন করে গড়ার সময় এসেছে৷

ডেস্ক / টিএ / ২০১৯ / ০৪১৬
আজ পহেলা বৈশাখ, শুভ নববর্ষ

বাংলা বর্ষগণনার উৎপত্তির বিষয়ে ব্যাপক বিতর্কিত দুইটি অভিমত হচ্ছে: ১. বাংলা সনের উৎপত্তি হয়েছে সম্রাট আকবরের মাধ্যমে, ২. বাংলা সন [বিস্তারিত]

মন চায় হারিয়ে যাই

শৈশব জীবনে ফিরে যাবার কোন মন্ত্র আছে কিনা তাই খুজছি আজকাল। কেন জানি মন চায় হারিয়ে যেতে সেই ছোটবেলায়। সারাখন [বিস্তারিত]

চলে গেলেন ভাষাতাত্ত্বিক ও দার্শনিক কলিম খান

ক্রিয়াভিত্তিক-বর্ণভিত্তিক শব্দার্থবিধির অন্যতম রূপকার, ভাষাবিদ ও দার্শনিক কলিম খান আর আমাদের মধ্যে নাই। কিছুদিন যাবৎ তিনি দুরারোগ্য রক্তের ক্যান্সারে (AML) [বিস্তারিত]

বঙ্গবন্ধু: পল্লীকবি জসিম উদ্দিনের কবিতা

১৬ই মার্চ, ১৯৭১ সন৷ পল্লীকবি জসিম উদ্দিন লিখলেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা বঙ্গবন্ধু৷ ক্ষমতালোভী হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের বীভৎসতা, হত্যাযজ্ঞ, শহর-গ্রাম, বাড়ি-বিপণীকেন্দ্র [বিস্তারিত]

মতামত জানান